দৈনিক ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন সর্বশেষ সংবাদ নিয়ে

মাদারীপুর ২৪ ডটকম

Ruposhi Online

বিশেষ কলাম : প্রিজম কর্মসূচি ও এডওয়ার্ড স্নোডেন

সংশ্লিষ্ট বিভাগ: অনুভূতি,বিশেষ প্রতিবেদন,মুক্তমত,সব সংবাদ |

Slodenমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরে গোয়েন্দারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন ও টেলিফোনে আড়ি পেতে তথ্য সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের গোপনে তথ্য সংগ্রহ করার এ কর্মসূচির নাম প্রিজম কর্মসূচি । PRISM এর পূর্ণ নাম হচ্ছে  Planning tool for Resource Integration Synchroniza and Mangement. এটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরী ডাটা টুল, যা যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভারগুলোতে থাকা সব ধরণের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ধারণা করা হয় যুক্তরাষ্ট্র প্রিজম নামক এই কর্মসূচি ২০০৭ সাল থেকে চালু করে (৬ জুন ২০১৩ BBC প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী)।
জর্জ বুশের নেয়া সেই কর্মসূচি বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আরও শক্তিশালী করেন। ওয়াশিংটন পোষ্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রিজম কর্মসূচির অংশ হিসাবে মাইক্রোসফট, ইয়াহু, গুগল, পালটক, এওএল, স্কাইপ,ইউটিউব, অ্যাপল ও ফেসবুকের সার্ভরে NSA প্রবেশ করে। এগুলোর পাশাপাশি ড্রপবক্সের মতো নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোও নজরদারির তালিকায় রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার ইন্টারনেট নজরদারির কর্মসূচীর গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়া ব্যক্তি হলেন যুক্তরাষ্ট্রর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (CIA) সাবেক কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন। স্নোডেনের ফাঁস করা বিভিন্ন তথ্য সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের গার্ডিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোষ্ট পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে জানা যায় NSA ও অন্যান্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সাধারণ মানুষের লাখ লাখ ফোনালাপের রেকর্ড সংগ্রহ করে এবং ইন্টারনেটে জনগণের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়মিত নজরদারি করে। সারা বিশ্বের জনধারণের ওপর মার্কিন নজরদারির গোয়েন্দা তথ্য ফাঁস করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রোষানলে পড়েন।
এই মুহূর্তে তিনি CIA এর মোষ্ট ওয়ান্টেডের তালিকায় রয়েছে। প্রসঙ্গত স্নোডেনের ফাঁস করা গোপন গোয়েন্দা কার্যক্রমের নথী গ্রিনওয়াল্ডই প্রথম প্রকাশ করেন। স্নোডেন তার দেশের সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের কথা স্বীকার করেছেন। স্নোডেনের দাবি, বিশ্বজুড়ে জনগণের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে তিনি এ কাজ করেছেন। তার কৃতকার্মের জন্য ভীত নন এবং এজন্য তার কোনো অনুতাপও নেই। যুক্তরাষ্ট্র গুপ্তচরবৃত্তি ও সরকারি তথ্য চুরির মামলা করেছে স্নোডেনের বিরুদ্ধে। মামলার আগেই স্নোডেন গত ২০ মে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চীনশাসিত হংকং চলে যান।
স্নোডেনকে হস্তান্তর না করায় চীনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বিষয়টি হতাশাজনক বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দ’ুদেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস। তবে চীনা প্রতিনিধি বার্নসের মন্তব্যেও প্রতিবাদ করে বলেন, হংকংয়ের স্থানীয় সরকারের প্রতি চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মান রয়েছে। কারণ তারা দেশটির বিদ্যমান আইন অনুযায়ী স্নেডেনের বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (FBI) পরিচালক রবার্ট মুয়েলার কংগ্রেস কমিটির সামনে বলেছেন এ তথ্য ফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ধরার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরণের পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ায় আমাদের জাতি ও নিরাপত্তার অনেক ক্ষতি হয়েছে। গত ২৩ জুন হংকং থেকে রাশিয়ার শেরেমেয়িতেভো বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
কিন্তু মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাঁর পাসপোর্ট বাতিল করায় এবং কোন দেশ তাঁকে রাজনৈতিক আশ্রয় না দেওয়ায় ওই বিমান বন্দরের ট্রানজিট এলাকাতেই অবস্থান করতে হয়েছিল। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বিষয়টিকে নিশ্চিত করলেও স্নোডেনকে যুক্তরাষ্টের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টিকে নাকচ করে দিয়েছিল ।
সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকস সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে টুইটারে দেয়া এক বার্তায় বলেছে, স্নোডেনের পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় তাকে রাশিয়াতেই থাকতে হতে পারে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো তাঁকে সম্ভবত রাশিয়াতেই রাখতে চায় । এদিকে স্নোডেনকে নিয়ে রাশিয়ার অবস্থানে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা স্নোডেনকে রাশিয়া থেকে বহিস্কারের দাবি জানিয়েছে। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র কেইটলিন হেইডেন বলেন “আমাদের সঙ্গে রাশিয়ার প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই । তা সত্ত্বেও স্নোডেনকে বহিস্কারের জন্য মস্কোর হাতে পর্যাপ্ত আইনি ভিত্তি রয়েছে । তিনি বলেন স্নোডেনের ভ্রমণের কাগজ না থাকা এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগুলোর বিষয় বিবেচনায় নিলেই মস্কো তাঁকে বহিস্কার করতে পারে । এদিকে রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় আইন প্রণেতা অ্যালেক্সি পুসকভ অভিযোগ করেছেন, স্নোডেনকে বহিস্কারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হঠকারীভাবে রাশিয়া এবং চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এই ধরণের চাপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোন ফল বয়ে আনবে না । ২৭ জুন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন “স্নোডেন রাশিয়ার আইন লঙ্ঘন করেনি । তিনি সীমানা অতিক্রমও করেনি । বিমান বন্দরের ট্রানজিট এলাকায় অবস্থান করছেন ।
সেখান থেকে যে কোন সময় যে কোন স্থানে চলে যেতে পারেন এবং তিনি আরও বলেন স্নোডেনকে অহেতুক আগন্তক মনে করে রাশিয়া। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাফায়েল কোরেয়া বলেন, স্নোডেন ইকুয়েডরের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করতে তাকে অবশ্যই ইকুয়েহরের ভূখ-ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে স্নোডেনের গন্তব্যের বিষয় সমাধান রুশ কর্তৃপক্ষের হাতে। স্নোডেনের বিষয়ে কথা বলতে রাফায়েল কোরেয়াকে ফোন করেন বাইডেন। তিনি স্নোডেনকে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় না দিতে তার প্রতি অনুরোধ জানান। জবাবে কোরেয়া বলেন স্নোডেন তার আবেদন নিয়ে ইকুয়েডরে প্রবেশ করলে আমরা প্রথম যার মতামত নেব, তা হলো যুক্তরাষ্ট্র।
২জুলাই উইকিলিকস প্রকাশ করে যে, স্নোডেন ২১টি দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছে। অষ্ট্রিায়া, ফিনল্যান্ড, ব্রাজিল, জার্মানি, ভারতসহ বেশীরভাগ দেশ তার আবেদন প্রত্যাখান করে। ৫ জুলাই বলিভিয়, নিকারাগুয়া এবং ভেনিজুয়েলা স্নোডেনকে আশ্রয় দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। এদিন প্রেসিডেন্ট মাদরো বলেন ভেনেজুয়ালার রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আমি তরুণ স্নোডেনকে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর সাম্রাজ্যের যন্ত্রনাময় পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন “স্নোডেনের একমাত্র অপরাধ হলো সত্য কথা বলা।”
স্নোডেন গত ৭ই জুলাই বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় ১৫তম দিনটি কাটান, এ অবস্থায় সংবাদ মাধ্যমে দাবি করেন, যেসব পশ্চিমা দেশ এখন ঘঝঅ এর গোপন নজরদারির বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে, এ কর্মসূচির সঙ্গে তারাও জড়িত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মতো বিভিন্ন অঞ্চল বেছে নেয়। মস্কোর শেরেমেতেয়েভো বিমানবন্দরে থাকা স্নোডেনের সামনে বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ সীমিত।
কারণ এ বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে লাতিন আমেরিক যাওয়ার একমাত্র পথ কিউবা। সেই কিউবা নিরব থাকায় তাঁর আশ্রয় নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা। ইউরোপের দেশে স্নোডেনকে বহনকারী উড়োজাহাজের বাধ্যতামূলক অবতরণের ঝুঁকিও রয়েছে। যেমনটা ঘটেছে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরোলেসের ক্ষেত্রে। মস্কো থেকে স্নোডেনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন সন্দেহে প্রেসিডেন্ট মোরালেসকে বহনকারী উড়োজাহাজ দেশে ফেরার পথে ভিয়েনায় অবতরণে বাধ্য করা হয়। তিন সপ্তাহ বিমানবন্দরে আটকে থাকার পর ১৬ জুলাই স্নোডেন রাশিয়ায় সাময়িক রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন।
এ সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমর্থক হিসাবে পরিচিত আইনজীবী আনাতোলি কুচেরেনা বলেন স্নোডেন এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে তার একটি অস্থায়ী আশ্রয়ের আবেদন করা প্রয়োজন। আর এ কাজটি এই মাত্র শেষ হয়েছে । তিনি আরও বলেন তিনি আপাতত আর কোথাও যাচ্ছেন না । তিনি রাশিয়াতেই থাকছেন । ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন মিত্র দেশগুলোর ওপর গুপ্তচরবৃত্তির তথ্য ফাঁস করার পর অস্বস্তিতে পড়েছে বিশ্বের মহাপরাক্রমশালী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে দেশটি এখন আস্থাহীনতায় মধ্যে পড়েছে ।
দেশগুলোর সরকারও এখন বিপাকে পড়েছে । সরকারগুলোর পক্ষ থেকে কড়া মন্তব্য করা হয়েছে। এমনকি তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে না পাড়লে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র এর সঙ্গে বাণিজ্য ও তথ্য বিনিময় স্থগিত করার হুমকি দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রসবিরোধী যুদ্ধের প্রয়োজনেই এটা করা হয়েছে বলে তাতে আশ্বস্ত হতে পারছেনা মিত্র দেশগুলো। তথ্য ফাঁসকারী এডওয়ার্ড স্নোডেন বলেন “আমরা সর্বত্র সবাইকে হ্যাক করি।” গত ৩০ জুন জার্মানির “ডার স্পাইগেল” ম্যাগাজিনে গোপন মার্কিন নথির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার ফ্রান্স, ইতালি এবং গ্রিসসহ বন্ধুপ্রতিম ঊট এর দেশগুলোর দূতাবাস এবং ঊট এর ওয়াশিংটন কার্যালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আড়িপেতে অভ্যন্তরীণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করেছিল ।
স্নোডেন জানিয়েছে, প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ ফোন, ই-মেইল এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে যে বার্তা বিনিময় হচ্ছে তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা নজর রাখছিল। যুক্তরাষ্ট্র টেলিফোন কল বা আলাপই শুধু শুনছে না, বিভিন্ন নথি ও ই-মেইলেও উকি দিচ্ছে। গার্ডিয়ান জানায় টঝঅ এর ৪৮টি লক্ষ্যবস্তু রয়েছে। জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত ও তুরস্কের দূতাবাসও রয়েছে এই তালিকায়। এছাড়াও চমকানো সংবাদ প্রকাশ করলেন স্নোডেন যা ছিল গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশমতো নজরদারি করে ১০ কোটি পাউন্ড পেয়েছে ব্রিটেন।
১ আগষ্ট স্নোডেন মেরেমেয়িতেভো বিমানবন্দর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন এবং রাশিয়া স্নোডেনকে এক বছরের রাজনৈতিক আশ্রয় মঞ্জুর করেছেন। স্নোডেনকে আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্র এবং এক চরম হতাশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে ওবামার ঘনিষ্ঠ ও ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর চাক শ্যুয়ার বলেন “রাশিয়ার সিদ্ধান্ত পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করার মতো। এ জন্য অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ সম্মেলন রাশিয়ার বাইরে অন্য কোথাও স্থানান্তর করতেও ওবামার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। অবাক হওয়ার বিষয় এই যে, মার্কিন সরকারের নজরদারি নিয়ে দেশে-বিদেশে সমালোচনার ঝড় উঠলেও বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেস নাকচ হয়ে গেছে।
মনে করা হচ্ছে ঘঝঅ এর জনগণের ফোন রেকর্ড ও অনলাইন তৎপরতায় নজরদারি করার আরও শক্ত ভিত্তি পেল। নজরদারির প্রশ্নে ১৭জুলাইয়ের ভোটাভুটিতে দুই মেরুর রাজনৈতিক শিবিরের (কট্টর রক্ষনশীল বলে পরিচিত “টি পার্টি” রিপাবলিক্যান ও উদারপন্থী ডেমোক্র্যাট শিবির) অভিন্ন অবস্থানের বিরল দৃষ্টান্ত দেখল বিশ্ববাসী।
Rakib Uddinফরাসি ঐতিহাসিক সেবাস্তিয়েন লরেন স্নোডেন প্রসঙ্গে বলেন, আলংকারিক অর্থে তিনি মৃত। তিনি যা করেছেন তার গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি কখোনই নিরাপদ আশ্রয় পাবেন না। রাশিয়ায় আশ্রয় পাওয়া স্নোডেন একাধিকবার বলেছেন তার হাতে দুনিয়াকে চমকে দেওয়ার মত বেশ কিছু তথ্য এখনো রয়েছে। বিশ্ববাসী এখন হয়তো স্নোডেনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন, ফের চাঞ্চল্যকর নতুন কী তথ্য প্রকাশ করবেন।
(লেখক : মোঃ রকিব উদ্দিন,  E-mail : rakib2506@yahoo.com)

QR Code - Take this post Mobile!
Use this unique QR (Quick Response) code with your smart device. The code will save the url of this webpage to the device for mobile sharing and storage.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.