দৈনিক ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন সর্বশেষ সংবাদ নিয়ে

মাদারীপুর ২৪ ডটকম

Ruposhi Online

কি হাল হবে কালকিনি তথা মাদারীপুর-৩ আসনের আগামী নির্বাচনে?

সংশ্লিষ্ট বিভাগ: কালকিনি,গুরুত্বপূর্ণ খবর,মাদারীপুর,মুক্তমত,রাজনীতি,সব সংবাদ |

(এক)
আমার খুব একটা ভাল মনে আছে ১৯৯১ সনের নির্বাচনের কথা আমার তখন আনুমানিক বয়স ৭ কিংবা ৮ বছর ৯১ সনের নির্বাচন শুরু হচ্ছে আমি আমার বাবার সাথে আমাদের ভোট কেন্দ্রে দেখতে যাই (উত্তর ডাসারে)। নির্বাচনটা আমাদের এখানে খুব সুন্দর মনোরম পরিবেশে হয়েছিল বলে আমি অনেকের মুখে শুনেছি। কিন্তু আমাদের পাশেই গৌরনদী থানা শুরু সেখানে নাকি নির্বাচনের দিন খুব মারামারি, কাটাকাটি হয়েছিল বলেও আমি শুনেছি। তারপর নির্বাচন হল ১৯৬৬, ২০০১, ও ২০০৮ সারা বাংলাদেশে কিভাবে নির্বাচন হয়েছিল তা নিয়ে একটা বির্তক আছে যেই সরকার আছে অপর দল দাবী করে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নাই। কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি ১৯৯১ সাল হতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যত নির্বাচন হয়েছে কালকিনিতে সব নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহন যোগ্য হয়েছে বলে আমাদের সবার কাছে সর্বাধিক গ্রহন যোগ্যতা পেয়েছে। এখানে কিছু কথা না বললেই নয় আমি ব্যক্তিগত ভাবে সব সময় আমাদের পাশের থানা গৌরনদী-কে আমি নিন্দা করে এসেছি তার কারণ এই নির্বাচন আমি ছোট থাকতেই শুনে আসছি নির্বাচন আসলেই শুধু মারামারি, কাটিকাটি, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ইত্যাদি, ইত্যাদি। ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ড হইতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রত্যেক বাসস্ট্যান্ডই আমার পরম আত্মীয়-স্বজন রয়েছে কেউ আওয়ামী ও বিএনপি ঘরোয়া লোক। আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসলে বিএনপির আত্মীয়-স্বজন ঘর ছেড়ে বহুদিন অন্যবাস্থনে থাকতে হয়েছে এবং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী আত্মীয়-স্বজন ঘর ছেড়ে বহুদিন পরিবার পরিজন ত্যাগ করতে হয়েছে। আমি ছোট্ট একটা উদাহরন দিতে চাই ২০০১ সালে নির্বাচন তখন আমি আমাদের ডাসার কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র (মানবিক শাখায়), ২০০১ সালের নির্বাচনের দিন বিকাল বেলায় আমি ও আমার কয়েকজন বন্ধু মিলে আমাদের গ্রামে আরেকটি কলেজ শেখ হাসিনা একাডেমী এন্ড উইমেন্স কলেজ এর দক্ষিন পাশে একটি ব্রিজ আছে। সেখানে আমরা বসে কথাবার্তা বলতেছিলাম হঠাৎ আমাদের পাশের গ্রামের বয়সা এলাকার এক মেম্বার (সুধীর, বর্তমান ভারত অবস্থারত) হাউ-মাউ করে কাঁদতে কাঁদতে দক্ষিন দিক থেকে এসে প্রায় আমাদের সবার পা ধরাধরি করতে লাগলো এবং বললো ভাই আমাকে বাচাঁন যদিও তিনি প্রায় আমাদের পিতার বয়সই হবে। পরে তাকে আমরা জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে? বললো ভাই ওরা আমাকে পেলে মেরে ফেলবে (বিএনপি), আমরা সবাই তাকে সান্তনা দিলাম এবং তাকে শান্ত করলাম এই বলে আমরা আছি আপনার কিছু হবে না। তারপর তাকে আমরা তাকে একটা ভ্যান (ভ্যানওয়ালার নামটা ও আমার মনে আছে বাবুল শিকদার) ভাড়া করে দিলাম এবং সে নিরাপদে নবগ্রাম চলে গেল। এই রকম উদাহরন গৌরনদী-তে বহু ঘটনা আছে কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি আমাদের কালকিনি নির্বাচনী এলাকায় ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যত নির্বাচন হয়েছে আমার যতদূর জানা আমাদের নির্বাচনীয় এলাকার একটা লোক ও নির্বাচনের পরে ঘর ছাড়তে হয় নাই।
(দুই)
আমাদের ডাসার গ্রামে প্রথম ডি,কে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সনে যার প্রতিষ্ঠাতা আমাদের স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন (এমপি), এখন ১৯৯৪ সনের ৩ বছর আগের কথা বলি আমার বড় বোন ১৯৯১ সনে এস,এস,পি পাশ করে ডাসার হাইস্কুল থেকে এখন কলেজে ভর্তি হওয়ার পালা কিন্তু কোথায় ভর্তি হবে আমাদের বাড়ী থেকে কালকিনি কলেজ আরেকটু দূরে গেলে গৌরনদী কলেজে কিন্তু কোন কলেজে ঐ সময় আমার বড় বোন এর পক্ষে কোন মতেই ভর্তি হওয়া সম্ভব নয়। তারপর ও কোন মতে কালকিনি কলেজে ভর্তি হলো কিন্তু তেমন একটা সুফল বয়ে আনলো না আমার বড় বোনে জন্য কারন আমাদের ডাসার গ্রাম থেকে কালকিনি-তে ঐ সময় যাওয়া বড় বোনের পক্ষে সম্ভব নয়, কারন রাস্তাঘাট এতটাই খারাপ যে কলেজে সাধারনত সকাল ৮:৩০ টার সময় ক্লাশ শুরু হয় ঐ সময় ডাসার থেকে কালকিনি যেতে সময় লাগতো প্রায় ২:৩০ থেকে ৩:০০ ঘন্টা। তবে বর্তমানে ডাসার থেকে কালকিনিতে যেতে সময় লাগে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। কয়েক দিন গিয়ে আর যাওয়া হয় নাই। ২ থেকে ৩ তিন বছর তার জীবন থেকে ঝড়ে গেলো। এখন আসি ১৯৯৪ সনের আমাদের গ্রামে ডি,কে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন আমার বোন কালকিনি কলেজ থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট এনে ডি,কে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড কলেজ ভর্তি হয় ঐ সময় আমাদের গ্রাম্য কলেজে প্রায় ১,১০০/- (এগার) শত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। এবং সে সময় আমাদের কলেজের প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে সব ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তি ফি, বেতন, কলেজ ড্রেস, হোস্টেলে থাকা খাওয়া এবং ফাইনাল পরীক্ষার ফরম ফিলআপ এর সমস্ত টাকা দিয়ে দেন। আমাদের কলেজে ১৯৯৬ সনের বোর্ড পরীক্ষা থেকে অদ্য পর্যন্ত সুনামের সাথে ফলাফল করে আসছে। তারপর শেখ হাসিনা একাডেমী এন্ড উইমেন্স কলেজ আমাদের গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন যা আমাদের গ্রামকে আরো ধন্য করেছে। এ রকম কালকিনিতে অসংখ্য কলেজ, হাইস্কুল, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন যাহা স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনকে দেশবাসীর চিনতে বেশী সময় দরকার হয় নাই একজন শিক্ষানুরাগী হিসাবে। এরপর আসি অন্য আলোচনায় কালকিনিতে যে পরিমান রাস্তাঘাট, যাতায়াত, বৈদ্যুতিক, সন্ত্রাসমুক্ত, সামাজিক  ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এবং রেখে চলেছেন আমরা যদি উন্মাদ না হই তা হলে আমাদের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার কথা স্মরন থাকা উচিত বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি। এবং আমি আরো হলফ করে বলতে পারি স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন কালকিনিতে যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে রেখেছে কেয়ামত পর্যন্ত এই কালকিনিতে কারো একার পক্ষে কোন
(তিন)
আগামী ৫ জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচন (দশম), কয়েক দিন আগে টাকা দাখিল করলো আওয়ামী পন্থী লোকেরা বরাবর আমাদের বর্তমান সাংসদ স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন আর পাঁচ জনের মতো তিনি ও টাকা দাখিল করলো তার পক্ষে জনাব মীর গোলাম ফারুক (উপজেলা চেয়ারম্যান ও কালকিনি উপজেলার সাধারন সম্পাদক), এবং আরো কিছু নামী-দামী ও অদামী নেতারা ছিলো। গত প্রায় ২ মাস আগে আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতির সরকারী বাস ভবন গন ভবনে আমাদের মাদারীপুর জেলা বাসী দেখা করে মনোনয়নের বিষয়ে সেখান থেকে বের হয়ে জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন আমরা স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমাদের কথা পেশ করছি এবং সর্বচ্চো ১০০ নম্বর দিয়ে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনের একক প্রার্থীর নাম দিয়ে দিয়েছি যাতে তাকে দশম নির্বাচনে আবার মনোনয়ন দেয়া হয়। যত জল্পনা কল্পনা শেষে গত ২৯/১১/১৩ ইং রোজ শুক্রবার  নির্বাচন তফশিল ঘোষনা করলো আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তাতে আমরা দেখলাম আমাদের স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর নাম নেই আমরা শুধু বিচলিত হয়েছি তা কিন্তু নয় গোটা দেশ এমনকি বিবিসি খবরেও প্রকাশ হয়েছে তারা বিচলিত হয়েছে কিন্তু বিচলিত হয় নাই আমাদের স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর সাথে যারা সব সময় তার পা চুষে থাকতো (চাটুকার), যারা তার টাকা খেয়ে বাড়ী, গাড়ী, টাকা পয়সা, ক্ষমতা পেয়েছে । কালকিনিতে  নির্বাচন তফশিল ঘোষনা হওয়ার পর কালকিনিতে যে ব্যাপক হারে ভাংচুর, মারামারি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আমার মনে হয় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কালকিনিতে এতো বড় সংগ্রাম হয় নাই। যদি ও স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর কোন ইঙ্গিত ছিল না, যদি তিনি কোন ইঙ্গিত দিত তা হলে আমি মনে প্রানে বলতে পারি ও বিশ্বাস করি কালকিনিতে ছোট খাটো কেয়ামত হয়ে যেত তবু ও তিনি সবাইকে শান্ত ও ধৈর্ষ্য থাকতে বলেছে। এবং আরো বলেছে নেত্রী যেটা করেছে আমি তাতে খুশি আপনারাও খুশি হন। আমি দলের হয়ে কাজ করতে চাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন কালকিনি থেকে যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তাদের আমাল নামা পেশ করলো শুধু একক ভাবে আমাদের স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর নাম তবে কি করে তার নাম বাদ দিয়ে আরেক জনের নাম আসলো। তফশিল ঘোষনা দেওয়ার দুই দিন পর সেই পাতি নেতারা আমাদের জানালো আমরা শুধু স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন নাম দেই নাই আমরা আরো দু’জনের নাম দিয়েছি। তারা কতটা বেঈমান আমাদের মনে রাখা উচিত কালকিনি থেকে যত লোকবল ঢাকায় এসেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তাদের আমল নামা নিয়ে তার সমন্ত যাতায়াত খরচ, খাওয়া-দাওয়া, থাকা এবং আরো তাদের পরিবার পরিজনের জন্য কেনাকাটা সমন্ত খরচ স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন দিয়েছে কিন্তু তারা কি করেছে সেটাই এখন আমাদের ভেবে দেখা উচিত। তবে আমি বলতে চাই যে, দশম নির্বাচন করতে কালকিনিতে যে এসেছে সে কি পারবে আমাদের স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনর মত সুষ্ঠুধারা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমার মনে হয় শতভাগ সে পারবে না।  আমি এও বলতে পারি সে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনর মত এতো ধৈর্ষ্যশীল ও হতে পারবে না। কিন্তু আমি বলতে চাই সেই প্রতারকদের যারা স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর সাথে বেঈমানি করেছে তারা তার সাথে নয় তারা নিজেরা নিজেদের সাথেই বেঈামানি করেছে তা একটু পরে বুঝতে পারবে। আমি আল্লাহর কাছে তাদের জন্য দোয়া করি তাদের শুভ বুদ্ধি উদয় হউক।
(চার)
যে কারনে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে মনোনয়ন দেওয়া হল না, তা আমরা জানতে পেরেছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে দক্ষিন-পশ্চিম বঙ্গের প্রায় চারশত কোটি মানুষে প্রানের দাবি পদ্মা সেতুর দূর্নীতির কারনে, তা হলে আমার প্রশ্ন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে বলেছে পদ্মা সেতুর জন্য বিশ্ব ব্যাংক (World Bank), কোন অর্থই প্রদান করেন নাই সেখানে দূর্নীতি হয় কি করে। এবং সে এও বলেছে আমার মন্ত্রী কোন দূর্নীতির সাথে জড়িত নয় মন্ত্রী মহোদয়কে সে কিন্তু দেশপ্রেমিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। এবং আমি সবাইকে জানাতে চাই আমি যতদূর জানি স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন কিন্তু দূর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দূর্নীতি মুক্ত সনদ ও পেয়েছে।  তা হলে প্রশ্ন কি কারণে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে আগামী দশম নির্বাচনের মনোনয়ন দেওয়া হলো না। তারতো বিপুল সংখ্যক জনসমর্থন আছে তার নির্বাচনী এলাকায় তাকে ছাড়া তার নির্বাচনী এলাকার মানুষ কিছুই ভাবতেই পারে না শুধু কয়েকজন মীর জাফর আর ঘসেটি বেগম ছাড়া। সে দিন একটা টিভি টকশোতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার কাছে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর মনোনয়ন না দেয়ার কারন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল সে কিন্তু কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি তবে সে বলেছে পদ্মা সেতুর দূর্নীতির কারনে তখন উপস্থাপক তাকে পাল্টা প্রশ্ন করেছে তাহলে রেল কেলেঙ্কারী কি অবস্থা হবে এবং আমার ব্যক্তিগত প্রশ্ন যদি পদ্মা সেতুর কেলেঙ্কারীর কারনে একজনকে মনোনয়ন না দেওয়া হয় তাহলে বাংলাদেশে গত প্রায় পাঁচ বছর যাবৎ যে কেলেঙ্কারী বয়ে এনেছে তার কয়েকটা উদাহরনঃ (১) বিডিআর পিলখানার হত্যাকান্ড, (২) ডেসটিনি, (৩) সাগর-রুনি হত্যাকান্ড, (৪) ইলিয়াস আলী গুম, (৫) সোনালী ব্যাংক দেউলিয়া, (৬)তাজরীন পোশাক কারখানা আগুন, (৭) রানা প্লাজা ভবন ধস, (৮) বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড আরো অনেক ছোট বড় ঘটনা আছে যা এদেশে হয়েছে তবে তার দায় কে নিবে সরকার, বিরোধীদল নাকি আমরা জনসাধারন। আমি এখানে আরেকটি দেশের উদাহরন দিব এই কিছু দিন আগের একটা ঘটনা দেশটির নাম লাগেভিরিয়া (সম্ভবত দেশটার নাম ভুলও হতে পারে) সেখানে একটা ভবন ধসে প্রায় ৫৩ জন লোক মারা যান এবং সেই দায়ভার সে দেশের সরকার প্রধান নিয়ে সরকার থেকে পদত্যাগ করেন অথচ সেই ভবনটা তার আগের সরকার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু আমাদের দেশের কি অবস্থা রানা প্লাজার মত এত বড় ভবন পোশাক কারখানা ধস, পিলখানায় ৫৪ জন আর্মি অফিসার সহ ৭৪ জনের মৃত্যু সহ অসংখ্য নজির স্থাপন হয়েছে এর দায়ভার কি সরকার এড়াতে পারে তা হলে সরকারের বোধ কবে হবে। লাগেভিরিয়ার মত দেশে যদি একটি ভবন ধসে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী দায়ভার নিয়ে সরে যেতে পারে তবে আমাদের দেশে কেন নয়? আর যে কারনে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে মনোনয়ন দেওয়া হল না সেটাতো তার দায় নেয়ার কথা নয় কারন একজন মন্ত্রী বড় না তার সরকার বড়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক যে পেক্ষাপট তাতে আমরা দেখতে পাই বাংলাদেশের সব মানুষের যে ক্ষমতা তার চেয়ে বেশী ক্ষমতা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তাহলে সে কেন দায়ভার নিবে না। স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে মনোনয়ন না দিয়ে সরকারের যতটা জাতীয়ভাবে সমালোচনা হয়েছে তাকে হয়তো মনোনয়ন দিলে ততটা হত না। কারন আমরা দেখেছি দশম জাতীয় নির্বাচনে অনেক কুখ্যাতি, সন্ত্রাসীদেরকে মনোনয়ন দিয়েছে নির্বাচন করার জন্য। আমি আমার ব্যক্তিমত ও কালকিনি তথা মাদারীপুর (৩) আসনের পক্ষে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে এখনও মনোনয়ন দিয়ে তাকে নির্বাচন করা সুযোগ দিন। তা না হলে আমি যে সব সময় গৌরনদী-কে নিন্দা করতমা আমরা সেই গৌরনদীর দিকে আদিষ্ট হতে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে কিছুটা হয়েও গেছে।
(পাঁচ)
সর্বশেষ বলবো স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন এর ও ভুল থাকতে পারে আরে ভাই মানুষের ধর্মই হল সে ভুল করবে কারন সৃষ্টি কর্তার  Humor (রহস্য) হল মানুষ ভুল করবে তবে মানুষ ভুল করে সে আমার কাছে ভুল স্বীকার করবে তাতেই আমি সবচেয়ে খুশি হই। আমি বিশেষ ভাবে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন-কে কোন উপদেশ নয় উপদেশ দেওয়ার মত সাহস আমার নেই তবে আমি ডাসার ও কালকিনিবাসীর পক্ষে তার কাছে একটা দাবী সে যে উদারতা দেখিয়েছে সে তার উদারতা অব্যাহত রাখবে। তবে অনেকে হয়তো প্রশ্ন রাখতে পারে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন যখন থাকবে না (মৃত্যুর পর) তখন কি এই এলাকায় নির্বাচন হবে না আমি তাদের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রাখতে চাই সে তো এখনও জীবত। তবে সে কেন নয়? আমি আমাদের সৃষ্টি কর্তার কাছে স্বনামধন্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন জন্য দোয়া করে বলবো তাকে যেন সৃষ্টি কর্তা এই মহা প্লাবন থেকে ধৈর্ষ্য ধারন করে তার ব্যবসা বানিজ্য, পরিবার পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের কথা ভুলে না যান। এবং আমি ব্যক্তিগত ভাবে ডাসার বাসীর পক্ষে বলবো আপনি যে বিস্তর মন-মানসিকতা নিয়ে ডাসারের উন্নয়ন কাজে হাত দিয়েছেন আপনার জীবদ্দশায় আপনি যতদূর সম্ভব কাজ শেষ করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। এবং সারা বাংলাদেশের মানুষ যাতে আপনার দ্বারা উপকৃত হয় সেই দোয়া আমি সব সময় করি। দোয়া মানুষের জন্য করতে হয় না আপনি ডাসার, কালকিনি তথা মাদারীপুর বাসীর জন্য যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে চলেছেন সেই দোয়া আপনি পাবেন পাবেনই। মানুষ মানুষের সাথে প্রতারনা করতে পারে সেটা এখন আপনার চেয়ে আর বেশী উপলদ্ধী করার মানুষ হয়তো নেই তবে আমাদের সৃষ্টি কর্তা কিন্তু কারো সাথে প্রতারনা করে না এবং করবে ও না। আপনি আপনার কর্মের সুফল ইহকাল ও পরকালে পাবেন বলে আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি। তবে  ও I don’t utter their name (আমি তাদের কথা উচ্চারন করতে চাই না) যারা আপনার সাথে প্রতারনা করেছে তাদেরকে হয়তো একটু দেরীতে হলেও আপনি তাদের চিনতে পেরেছেন। আমি ও ভুলের উর্দ্ধে নয় যদি ও আমি কাউকে খুশি বা কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য এই লেখা-লেখি নাই শুধু লেখেছি ডাসার, কালকিনি তথা মাদারীপুর (৩) এলাকাবাসীকে জানানোর জন্য আমরা কোন দিকে হাঁটছি। আমার কোন ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন। (প্রতিবেদখ: শেখ জাফর হোসেন (রিপন), ই-মেইল: skjafarripon@gmail.com)

QR Code - Take this post Mobile!
Use this unique QR (Quick Response) code with your smart device. The code will save the url of this webpage to the device for mobile sharing and storage.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.