দৈনিক ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন সর্বশেষ সংবাদ নিয়ে

মাদারীপুর ২৪ ডটকম

Ruposhi Online

মাদারীপুর গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৫১ লাখ টাকার টেন্ডার নিয়ে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ

সংশ্লিষ্ট বিভাগ: অন্যায়-অপরাধ,প্রধান সংবাদ,বিশেষ প্রতিবেদন,মাদারীপুর,সব সংবাদ |

Madaripur Ganopurto Tenderবিশেষ প্রতিনিধি : মাদারীপুর গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে সিভিল সার্জনের বাসভবন ও কার্যালয় এবং টিবি ক্লিনিকের সীমানা প্রাচীর ও ভবন মেরামত কাজের টেন্ডার নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে টেন্ডারের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাঠানোর কথা থাকলেও তা পাঠানো হয় নি এবং কিছু জায়গায় পাঠানো হয়েছে দরপত্র জমা দেয়ার তারিখের পরে। গত ৪ মার্চ ছিল দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন।
বিশ্বস্ত একটি সূত্রের অভিযোগ, ৫১ লক্ষ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই মেরামত কাজ একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারমহলকে কাজ দেয়ার জন্য অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জানা গেছে, ৪টি গ্রুপে ৩৪ থেকে ৩৭ নম্বর পর্যন্ত তালিকাভূক্ত এই কাজের টেন্ডার পদ্ধতি গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত ইচ্ছায় ‘লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড’ বা এলটিএম পদ্ধতিতে করা হয়েছে। তবে এই এলটিএম পদ্ধতির টেন্ডারের ক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে এবং স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও সরকারি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রদান করতে হয়। টেন্ডারের বিষয়টি গোপন রাখতে এই বিষয়গুলো মানা হয়নি। এছাড়া জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার অফিসে নোটিশ  পাঠানোর কথা থাকলেও তা পাঠানো হয়নি। এছাড়া মাদারীপুর সিভিল সার্জন অফিস এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের ৯টি ডিভিশন ও একটি সাব-ডিভিশনে পাঠানোর কথা থাকলেও সেখানে পাঠানো হয়নি।
এছাড়া গত ৪ মার্চ তারিখে টেন্ডার বাক্স খোলার দিন সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ও একজন বাইরের প্রতিনিধি থাকার কথা থাকলেও তাদের কেউ-ই উপস্থিত ছিলেন না। পিপিআর-এর বিধান মতে, নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশ্যই টেন্ডার বাক্স খুলতে হবে। খোলার পর টিওএস করতে হবে অর্থাৎ নির্ধারিত ৩ জন প্রতিনিধি ওই টেন্ডারের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করবেন। অথচ টেন্ডার বাক্স এখনও খোলা হয়নি এবং টিওএস করাও হয়নি।
এছাড়া নিয়ম অনুযায়ী যত টাকার কাজ তত টাকা ব্যাংকের হিসেবে জমা থাকতে হয়। কাজ প্রদানের ক্ষেত্রে একটি ব্যাংকের এসওডি একাউন্ট-এর প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং ওই সব একাউন্টে তেমন অর্থ জমা নেই বা লেনদেন হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেন বলেন, এইসব দুর্নীতির বিষয় আমরা জানতে পেরেছি, তবে তদন্ত করলে এই সব অনিয়ম ও কারচুপির বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
এদিকে এই বিষয়ে একাধিকবার গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

QR Code - Take this post Mobile!
Use this unique QR (Quick Response) code with your smart device. The code will save the url of this webpage to the device for mobile sharing and storage.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *