দৈনিক ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন সর্বশেষ সংবাদ নিয়ে

মাদারীপুর ২৪ ডটকম

Ruposhi Online

ব্যবসায়ী হত্যায় এসআই জাহিদ : চাকরির সময় বিক্রি করতে হয়েছিল বসতবাড়ি

SI Jahidপুলিশের চাকুরি করে আয়ের সাথে বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না ঢাকার মিরপুরে ঝুট ব্যবসায়ীকে আটকের পর নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান খান ওরফে জাহিদের। অপরদিকে চাকরির সময় সাড়ে ৪ লাখ টাকায় মাদারীপুরের শিবচরে পৈত্রিক বসতবাড়ি বিক্রি করে। এখনও ভাড়া বাড়িতে থাকে জাহিদের পরিবার। শিবচরে ভাল শিক্ষার্থী এবং নম্র-ভদ্র হিসেবে পরিচিত জাহিদ পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় ঢাকায় এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় জড়িত হওয়ার এলাকাবাসী বিস্মিত।
জাহিদের বাসস্থান শিবচর টেম্পোস্ট্যান্ড মোড় এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাহিদের বাবা ইলেকট্রিক মিস্ত্রী ইউনুস খান। স্নাতক পাস করে জাহিদ চাকরিতে ঢোকে। ৪ বছর আগে চাকরির সময় জাহিদের বাবা সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বাড়ি বিক্রি করে টাকা-পয়সা জোগাড় করে ছেলের জন্য। এরপর থেকে জাহিদের বাবা-মা ও ভাই-বোন শিবচরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকছেন। জাহিদরা দুই ভাই ও দুই বোন। বাবা বর্তমানে কিছুটা অসুস্থ এবং এখন সংসারের আয়-রোজগার করতে পারে না। ছোট ভাই বেকার। সে স্ত্রীকে নিয়ে বাবা-ভাইয়ের সংসারে আছে। জাহিদের একক আয়ের উপরই তাদের নির্ভরশীলতা।
এদিকে চাকরির পর জাহিদ ঢাকায় স্ত্রীকে নিয়ে একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে ভাড়া থাকছেন। কিছুদিন আগে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনেছে বলে জানেন এলাকাবাসী। তবে শিবচরে কোন বাড়ি-ঘর বা জায়গা-জমি কিনতে পারেনি জাহিদ বা তার পরিবার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, জাহিদসহ তার পুরো পরিবার সমাজে ভদ্র হিসেবে পরিচিত। মূলত ঢাকায় স্ত্রী ও বোনদের উন্নত জীবন-যাপনে অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা এবং জাহিদের একক আয়ের উপর নির্ভরশীলতার জন্যই হয়ত জাহিদ যে কোনভাবে অর্থ উপার্জনের কথা চিন্তা করছে।
এদিকে জাহিদের পরিবারের সবাই এই ঘটনার পর থেকে বিমর্ষ ও তেমন ঘরের বাইরে বের হয়নি। তাদের কেউ এই ঘটনার বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজীও হননি। বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা সবাই শিবচরের ভাড়া বাসাটি তালাবদ্ধ করে ঢাকায় চলে গেছেন। (প্রতিবেদন: জহিরুল ইসলাম খান)

QR Code - Take this post Mobile!
Use this unique QR (Quick Response) code with your smart device. The code will save the url of this webpage to the device for mobile sharing and storage.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *